Friday, 16 September 2016

কবুতরের রোগের চিকিৎসা জানতে চান? ◆ বাঁচতে হলে বদলাতে হবে ◆

অনেকেই শুধু কবুতরের রোগের চিকিৎসা জানতে চায়, কবুতরের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় জানতে চায় না ৷ কিভাবে কবুতর পালতে হয় তা জানতে চান না ৷ কবুতরের রোগের চিকিৎসা জানার চেয়েও কবুতরের স্বাস্থ্য ভাল রাখার উপায় জানা এবং তা মেনে চলা জরুরি ৷ আপনি যত জানলেওয়ালা এবং অভিজ্ঞই হন না কেন, কবুতর পালনের সঠিক পদ্ধতি না জানলে কবুতরের চিকিৎসায় আপনি ১০০ ভাগ সফল হবেন না ৷ কবুতরের চিকিৎসায় সফল হবার জন্যও সঠিকভাবে কবুতর পালন সম্পর্কে জরুরি ৷ নয়ত কবুতর পালনের ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলেও আপনি ব্যর্থ হবেন ৷ সঠিকভাবে কবুতর পালন সম্পর্কে না জানলে আপনি কবুতরের সম্যসাই বুঝতে পারবেন না ৷
.
"পাঁচ দিন ঔষুধ খাওয়ায়ে কবুতরকে সুস্থ রাখবেন" এমন চিন্তা যারা করছেন, তারা ভুলের মধ্যে আছেন ৷ কিছু রোগের ক্ষেত্রে শুধু কয়েক দিন ঔষুধ খাওয়ায়ে কাজ হবে, কিন্তু প্রজননের (ডিম, বাচ্চা) মত সম্যসায় কয়েক দিন ঔষুধ খাওয়ালে কাজ হবে না ৷ এ ধরনের সম্যসা হয় দীর্ঘ দিনের অনিয়মের কারনে, এমন সম্যসা সমাধানেও সময় লাগবে ৷ নির্দিষ্ট কোন ঔষুধ প্রয়োগে না, যথানিয়মে পরিচর্যা করে এমন সম্যসা দূরে রাখতে হয় ৷
.
ভাল স্বাস্থ্যের ব্যাপারটি হয়ত অনেকেই বুঝতে পারছেন না ৷ অনেক মানুষ আছেন, যাদের দেখা বোঝা যায় না যে, তাদের কোন স্বাস্থ্যগত সম্যসা আছে ৷ তেমনি কবুতরের সম্যসা থাকলেও দেখে বোঝা যায় না যে কোন সম্যসা আছে ৷ সুস্থ দেখালেও পুরো সুস্থ না থাকার কারনে মানুষ যেমন অল্পতেই কাহিল হয়ে যায়, তেমনি কবুতরের স্বাস্থ্যও পুরো ভাল না হলে, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, অল্প অসুখেই বেশী দূর্বল হয়ে পরে, কি সম্যসা হয়েছে তা বোঝার আগেই মারা যায়, ডিম বাচ্চার সম্যসা হয় ৷ সঠিকভাবে কবুতরের পরিচর্যা না করলে ডিম বাচ্চার সম্যসা তো হবেই, আয়ুও কমে যাবে ৷
.
আপনি যদি নিয়মিতমাফিক জীবন যাপন না করেন, তবে আপনার নিজস্ব সুরক্ষা ব্যবস্থা বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইম্যুনিটি) কমে যাবে , সামান্য অসুখেই আপনি কাহিল হয়ে যাবেন ৷ আর যদি মারাত্বক অসুখ হয়, তবে আপনার জীবন নিয়েই সংশয় দেখা যাবে ৷ আর যদি আপনি নিয়মমাফিক জীবন যাপন করেন, তবে আপনার রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অটুট থাকবে, ফলে অসুখ কম হবে, সামান্য অসুখ তো কোন ব্যাপারই না আর মারাত্বক অসুখেও চিকিৎসায় সুস্থ হবার সম্ভবনাই বেশি ৷ আর প্রজননেও কোন সম্যস্যা হবে না ৷ তাই ডাক্তাররা ঔষুধের পাশাপাশি জীবনকে সঠিকভাবে যাপনের পরামর্শ দেন ৷ কবুতরের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য ৷
.
আমি আমার পুরনো কবুতরের বাচ্চাকে ডিপথেরিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়েই সুস্থ করেছি ৷ কিন্তু নতুন আনা কবুতরকে এন্টিবায়োটিক দিয়েও সুস্থ করতে পারি নাই ৷
.
এমন হল কেন?
.
কারন, আমি কবুতরকে সঠিকভাবে পালন করেছি, রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বা সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী রেখেছি, তাই প্রাথমিক চিকিৎসাতেই সুস্থ হয়েছে ৷ আর নতুন নিয়ে আসা কবুতরটিকে সঠিকভাবে পালন না করায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেছে বলে এন্টিবায়োটিক দিয়েও সুস্থ হয় নাই ৷ বরং এন্টিবায়োটিক দেবার ফলেই আগে মরেছে ৷ কেননা এন্টিবায়োটিকের ধকল সে সহ্যই করতে পারে নাই ৷
.
ফলাফল দাড়াল, কবুতরকে যদি সঠিকভাবে পালন করা হয়, তবে অসুখের সম্ভবনা কম আর অসুখ হলেও চিকিৎসায় সুস্থ হবার সম্ভবনা বেশি ৷ আর যদি সঠিকভাবে কবুতর পালন না করা হয়, তবে কবুতর রোগে আক্রান্ত হবে এবং জটিল রোগে চিকিৎসায় সুস্থ হবার সম্ভবনা কম ৷ তাই রোগের চিকিৎসার আগে কবুতরের পরিচর্যা সম্পর্কে জানুন এবং মেনে চলুন, যাতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইম্যুনিটি ভাল থাকে ৷ কবুতরের পালনের মূল বিষয়ই হল, কবুতরের ইম্যুনিটি ভাল রাখা ৷
.
আমাদের দেশের কবুতর পালকেরা কবুতরের ইম্যুনিটি নিয়ে চিন্তিত না হলেও, বিদেশী কবুতর পালকরা কিন্তু ইম্যুনিটি নিয়ে খুব সচেতন ৷ ভ্যাকসিন দিলে, কোন অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোন কিছু প্রয়োগ করলে ইম্যুনিটিতে সম্যসা হবে কি না, তা জেনে নেয় ৷ ইম্যুনিটিতে সম্যসা হবার সম্ভবনা থাকলে সেক্ষেত্রে ইম্যুনিটি ফিরিয়ে নিয়ে আসতে করণীয় কী তা জেনে নেয় ৷ আর আমরা বাসস্থান, দুই বেলা খাবারের ব্যবস্থা করে কবুতর সুস্থ রেখে মাসে মাসে ডিম বাচ্চা চাই ৷ কোন সম্যসা হলে ইম্যুনিটির কথা চিন্তা না করে ঔষুধ খাওয়ায়ে কবুতরকে সুস্থ রাখার আশা রাখি ৷ প্রাণী জগতের অন্যতম কাজই হল, ইম্যুনিটি ভাল রাখার চেষ্টা করা ৷ এটা প্রাণীর অস্তিত্বের সাথে জড়িত ৷ কবুতরকে কি আমাদের প্রাণী মনে হয় না ?
.
আমাদের দেশে প্রচলিত আছে, সবার কাছে কবুতর হয় না ৷ এটা কুসংস্কার ছাড়া কিছুই না ৷ যদি ঠিকমত খাবার পানি, সঠিক যত্ন এবং চিকিৎসা দেয়া হয়, তবে সবার কাছেই কবুতর হবে ৷ কবুতর পালন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে এবং কবুতরকে অবহেলা করলে কবুতর হয়ত উড়ে যাবে, নয়ত মারা যাবে ৷ এ জন্য ব্যক্তি দায়ী, ভাগ্য না ৷ আর হ্যা সাথে ধৈর্যও লাগবে ৷
.
আমি দুই জোড়া দিয়ে শুরু করেছিলাম ৷ অজ্ঞতা থাকলেও ধৈর্য ছিল ৷ প্রাপ্ত বয়স্ক কবুতর আনার পরও প্রথম ডিম পেতে আমাকে প্রায় সাত মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে ৷ এ সময়ের মধ্যে প্রায় ১০/১২ জোড়া কবুতর উড়ে গেছে এবং মারা গেছে ৷ তবু ধৈর্য হারা হই নাই ৷ উড়ে গেলে বা মারা গেলে আবার নতুন কবুতর এনে জোড়া মিল রেখেছি ৷
.
তবে এটা ঠিক বেশী মাত্রার চেচামেচির কারনে কবুতর ভয় পেয়ে চলে যায় ৷ আবার নতুন আনা কবুতরকে বাচ্চারা বিরক্ত করলেও কবুতর ভয়ে চলে যায় ৷ এজন্য এটা বললে ভুল হবে না যে, যে বাসায় শান্তি আছে সে বাসায় কবুতর হয় ৷ আর সে বাসায় শান্তি নেই হাউকাউ লেগেই থাকে, সেখানে কবুতর হয় না ৷ এমনিতেই তো আর কবুতরকে শান্তির প্রতীক বলা হয় না ৷
.
বাংলাদেশের আবহাওয়া কবুতর পালনের জন্য খুবই উপযুক্ত ৷ তবুও কবুতর শিল্প এগুচ্ছে না, আমাদের অজ্ঞতার কারনে ৷ অনেকে তো হতাশায় কবুতর পালাই ছেড়ে দিয়েছে, অনেকে ছেড়ে দেবার চিন্তা ভাবনা করছেন ৷ সময় হয়েছে সকল ভুল, ভ্রান্ত ধারনা পরিহার করে কবুতর শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ৷ বাংলাদেশে কবুতর শিল্পকে এগিয়ে নেবার পথ প্রদর্শক হিসেবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি শ্রদ্ধেয় কে, এফ সোহেল রাব্বি ভাইকে ৷ আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন ৷
.
আপনি যদি মনে করেন কবুতর পালন পদ্ধতি বদলানোর দরকার নাই, প্রচলিত পদ্ধতিতে কবুতর পালন করে যদি আপনি সন্তুষ্ট থাকেন, তবে সেভাবেই চালিয়ে যান ৷ আপনার জন্য শুভ কামনা ৷ আর যদি মনে করেন বদলানো দরকার, তবে আপনাকে স্বাগতম ৷

কিভাবে নর ও মাদি কবুতর চিনবেন ?

আমার এক পরিচিত আমাকে একদিন জানালেন যে তার একজোড়াকবুতর৪ টা ডিম দিয়েছে এবং তিনি নিশ্চিত করে বললেন যে এটা নর আর মাদি, আমি তাকে বুঝানর পরও তিনি তর্ক করলেন, আমি আর কিছু বললাম না, কিছুদিন পর তিনি বুঝতে পারলেন যে আসলে দুটাই মাদি। আসলে এটা উনার কোন দোষ নাই । আবার অনেক ক্ষেত্রে যখন বেশি মারামারি করে তখন বুঝা যাই যে দুটি নর। কারন অনেক ক্ষেত্রেই এই ধরনের অভিজ্ঞতা হয়।সৌখিন কবুতরেরক্ষেত্রে এটা খুবই কঠিন নর ও মাদি আলাদা করা এবং অনেক অভিজ্ঞ সদস্যদেরও অনেক সময় বোকা হয়ে যান আর এটা সবসময় সহজ নয়। আর সেটা যদি বাচ্চা হয় তাহলে ত কথাই নাই, কাজটি তখন কঠিনতর হয়ে যায়।আজ পর্যন্ত যদিও এ ব্যাপারে কোন সঠিক দিক নির্দেশনা দেওয়া হয় নি, ফলে অনেক কিছুই প্রাইয় অজানাই রয়ে গেছে। অনেক সময় দুইটা মাদি ঠিক নর মাদির মতই বৈশিষ্ট্য স্বভাব দেখা গেলেও অনেক পরে বুঝা যাই যে আসলে দুটাই মাদি, কিন্তু এর মাজে অনেক মূল্যবান সময় পার হয়ে যায়। আসুন আজ আমি আপনাদের জন্য কিছু তথ্য দিয়ে সাহায্যকারী হতে পারি কিনা।

পুরুষ ও মেয়ে কবুতরের কিছু শারীরিক ও স্বভাবগত কিছু বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য আছে সেগুলো হলঃ

ক) শারীরিক বৈশিষ্ট্যঃ
============

১) অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ কবুতর আকারে বড় হয় বিশেষ করে তার মাথা ও চ্যাপ্টা হয়।
মেয়ে কবুতরের শরীর তুলনামূলক ছোট, বিশেষ করে তার মাথা ছোট ও লম্বা হয়।

২) চোখ একটি মুরগি এর হিসাবে বৃত্তাকার হয় না কিন্তুমেয়ে কবুতরেরবৃত্তাকার হয়।

৩) পুরুষ কবুতরের পা ও এর আঙ্গুল সমান ও মসৃণ হয় না, কিন্তু মেয়ে কবুতরের পা অর এর আঙ্গুল প্রায় সমান ও মসৃণ হয়।

৪) উভয় হাতে কবুতর ধরুন (মধ্য লাইন থেকে বুক বরারর নিচে হাত চালায় তাহলে হাড় শেষে একটি স্পেস আছে, তারপর বরাবর একটি আঙ্গুল দিয়ে দেখলে 2 ছোট পাতলা হাড় পাবেন “v” এর মত, তারা একসঙ্গে আসা যেখানে মধ্যে একটি ছোট আঙুল বা তার বেশি ফিট করতে পারে, তাহলে এটি মেয়ে কবুতর যেখানে ডিম পাস হয়। আর যদি ১ বা -২ মিলি ফাক থাকে তাহলে পুরুষ কবুতর। অনেকে পুরুষ বা মাদি পরীক্ষা করার জন্য আঙ্গুল পায়খানার পথে দেন, কিন্তু বিশেষ ভাবে খেয়েল রাখবেন কখনও এটা করবেন না।এতে জরায়ু বা ভিতরে সংক্রমণ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।)

৫) পুরুষ কবুতরের মাথা / ঘার ও দেহ একটু মতা একটু লম্বা ও ঘন ও সবল হয়। আর সাধারণত মাদীর মাথা / ঘার ও দেহ কাছাকাছি আরো মেয়েলি বা সূক্ষ্ম হয়।

৬) হ্যাচিং পরে ১ থেকে ৩ দিন পর যদি আপনিকবুতরের বাচ্চাকেঅধিষ্ঠিত করে এর পায়খানা নির্গমনের(vent hole) পথের দিকে খেয়াল করেন তাহলে পুরুষ কবুতরের একটু চ্যাপ্টা বা smile এর মত দেখবেন আর মেয়ে কবুতরের সোজা বা গোল দেখবেন।

৭) পুরুষ কবুতরের গলার রগ মোটা হয় আর মেয়ে কবুতরের তুলনা মূলক ভাবে একটু পাতলা।

৮) পুরুষ কবুতরের ঠোঁট ধরে হালকা করে টান দিলে শে ছাড়িয়ে নেবার চেষ্টা করে, আর মেয়ে কবুতর সাধারণত চুপ করে থাকে বা কোন চেষ্টা করে না।

খ) স্বভাবগত বৈশিষ্ট্যঃ
============
৯) পুরুষ কবুতরের লেজ ও শরীর ময়লা থাকে কিন্তু মেয়ে কবুতরের শরীর তুলনামূলক পরিষ্কার থাকে। পুরুষ কবুতরের ডাক খুব ঘন ও জোরে হয়, অপরদিকে মেয়ে কবুতরের ডাক থেমে থেমে ও আস্তে ডাকে।

১০) পুরুষ কবুতর হুমকি দিয়ে বা ভয় দেখিয়ে একটি প্রয়াস চালানোর চেষ্টা করে বা মাদীকে চার্জ করবে বা সাধারণত তার মনোযোগ পেতে হালকা ঠোকর চেহারা নেয় এবং আঘাত করে যদিও এটি ইচ্ছাকৃত ঠোকর নয়। পুরুষ কবুতর গলা ফুলীয়ে একজাগা থেকে লেজ নামিয়ে মাদিকে আক্রমন করে আর মাদি মাখা নাড়িয়ে মাথা উপর নিচ করে এক জাইগাই থাকে।

১১) পুরুষ কবুতর পুরো ঠোঁট ডুবিয়ে পানি পান করে, যেখানে মাদি কবুতর অল্প বা অর্ধেক ঠোঁট ডুবিয়ে পানি পান করে।

১২) পুরুষ কবুতর মেয়ে কবুতরের থেকে বেশি আক্রমনাত্মক হয়। যদিও অনেক ক্ষেত্রে এর বাতিক্রম দেখা যায়। যদিও ডাকের কম্পন দুই জনের সমান হয় না।

১৩) পুরুষ কবুতর সূর্য দুবার আগে বেশি অস্থির থাকে, বিশেষ করে, আর মাদি কবুতর শান্ত থাকে।

১৪) পুরুষ কবুতর কবুতর সূর্য উঠার পর নেস্ত এ অবস্থান নেয়,আর মাদি সারারাত বাসায় বসে থাকে।

১৫) ব্রিডিং এর আগে নর কবুতর মাদির পায়ের কাছে বসে এক ধরনের শব্দ করে, যদিও এ সব গৌণ বৈশিষ্ট্য এর মধ্যে পড়ে।

১৬) মাদি কবুতর নর কবুতরের মুকে ঘাড়ে ও গলাই ঠোঁট দিয়ে গ্রুমিং করে দেয়। আর মেটিং এর আগে ঠোঁট দিয়ে খওয়ায়ে দেই।

আশা করি এর মাধ্যমে অনেকের অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর হবে ও অনেক অনাখাঙ্কিত পরিস্থিতি থেকে বাঁচা যাবে।

© কে এফ সোহেল রাব্বি

Saturday, 2 April 2016

কারমিনা বা লিভার টনিক।

কারমিনা বা লিভার টনিক।
কারমিনা কবুতরের লিভার টনিক হিসাবে কাজ করে। কারমিনা খায়ালে কবুতরের লিভার ভাল থাকে ও খাবার রুচি বাড়ে।
কিভাবে খায়াবেন :
১ লিটার পানিতে ২ টেবিল চামচ ৩/৪ দিন দিবেন। মাসে এক বার করে দিতে পারেন।

pigeon
Add caption